International Education System

International Education System (IES) হল শ্যামল সিংহ’র একটি কাল্পনিক সিস্টেম, এই সিস্টেম প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে তৈরী করা যাবে , যে সিস্টেম ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মত নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের উপর শিক্ষিত/দক্ষ করতে সক্ষম হবে।

কল্পপিত IES এর বৈশিষ্ট

  • ১. পৃথিবীর সকল ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষা গ্রহন করার সমান অধিকার থাকবে।
  • ২. বিনা মূল্যে সবাই শিক্ষা গ্রহন করতে পারবে।
  • ৩. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমমান শিক্ষা প্রদান করতে সক্ষম হবে।
  • ৪. শিক্ষার্থীর দক্ষতা পরীক্ষা করতে পারবে।
  • ৫. দক্ষতার ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশ করতে পারবে।
  • ৬. শিক্ষার্থীর ভুল ধরতে পারবে।
  • ৭. শিক্ষার্থীর ভুল সংশোধন করার সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে পারবে।
  • ৮. বিষয়টির উপর জ্ঞান বা দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে পারবে।
  • ৯. শিক্ষার্থী যে বিষয়টি নিয়ে অধ্যায়ন করতেছে তা সম্পূর্ণ ভাবে শিখতে পেরেছে কিনা তা জানাতে পারবে।

IES Application

  • যে এপ্লিকেশনে IES এর সকল বৈশিষ্ট থাকবে সেই এপ্লিকেশন কে IES Application বলা যেতে পারে।

যেভাবে IES Application তৈরী করা যাবে

  • ১. যে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে IES Application তৈরী করা যেতে পারে।
  • ২. যে বিষয় নিয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের দক্ষ/শিক্ষিত করার জন্য IES Application তৈরী করা হবে সেই বিষয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেভাবে শিক্ষা দেয় তা অনুসরণ করে IES Application তৈরী করা যাবে।
  • ৩. Artificial intelligence (AI) পদ্ধতি ব্যবহার করে IES Application তৈরী করলে এপ্লিকেশনটির গ্রহন যোগ্যতা বেশি হবে।

IES Application দিয়ে নিচের কাজ গুলো করা সম্ভব হবে

  • ১. IES Application ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মত ছাত্র বা ছাত্রীদের বিনামুল্যে বিভিন্ন বিষয়ের উপর দক্ষ / শিক্ষিত করা যাবে।
  • ২. যে স্থানে শিক্ষার অভাব সেই স্থানে IES Application ব্যবহার করে সেই স্থানে খুব সহজে শিক্ষার প্রসার করা যাবে।

IES সফল হলে যা হবে

  • ১. ছাত্র/ছাত্রীদের আর্থিক ব্যয় কমে যাবে।
  • ২. ছাত্র/ছাত্রীদের মূল্যবান সময় বাঁচবে।
  • ৩. দ্রুত শিক্ষার প্রসার হবে।
  • ৪. শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে।
  • ৫. শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে।
  • ৬. শুধু মাত্র শিক্ষা গ্রহন করার দিক বিবেচনা করে ইন্টারনেট কে সু-প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে তুলনা করা যেতে পারে (ওয়েব এপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে)।
  • ৭. পৃথিবীর মানুষের কাছে ইন্টারনেটের গুরুত্ব আরো বাড়বে।
  • ৮. ইন্টারনেট আরো তথ্য বহুল হবে।
  • ৯. এক জন মহান শিক্ষক IES Application ব্যবহার করে উনার জ্ঞান পৃথিবীর সকল মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবে।
  • ১০. আমাদের সবার পথ প্রর্দশক মহান শিক্ষকদের কষ্ট কিছুটা কমে আসবে।
  • ১১. এক জন এপ্লিকেশন ডেভেলপার একটি বিষয় এর উপর পরিপূর্ন দক্ষতা লাভ করে ঐ বিষয়ের উপর একটি IES Application তৈরী করে পৃথিবীর ছাত্র/ছাত্রীদের ঐ বিষয়ের উপর পরিপূর্ন দক্ষ / শিক্ষিত করতে পারলে ঐ এপ্লিকেশন ডেভেলপারের মহান শিক্ষকতা দক্ষতা না থাকলেও একজন মহান শিক্ষকের সম-মর্যাদা ও সম্নান অর্জন করা সম্ভব বলে মনে হয়।